ছারপোকা দুর করার প্রাকৃতিক উপায়
ছারপোকার জীবনচক্র
ছারপোকার প্রকারভেদ:
বাড়িতে উপদ্রব করে এমন ২১
প্রজাতির ছারপোকার ওপর গবেষণা শেষে
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এদের ধ্বংস করতে
হলে আগে যে কীটনাশক
ব্যবহার করতে হতো, এখন
তার শক্তি আগের চেয়ে
হাজার গুণ বেশি দরকার৷বিজ্ঞানীরা
বলেছেন, প্রচলিত কীটনাশক এখন আর ছারপোকা
ধ্বংসে কাজ করছে না।
ছারপোকার কামড়ের ক্ষতিকারিতা:
যেই তাকাই অমনি নেই! এদিকে সারা শরীর ফুলে যাচ্ছে। চাকা চাকা লাল দাগ। যেমন জ্বালা, তেমনি চুলকানি। বার কতক রোদে দিয়েছিলাম বিছানাটাকে। কোনও লাভ হয়নি। উল্টে আক্রমণের ধার যা বেড়েছে, তাতে মনে হচ্ছে ব্যটাদের সংখ্যা বেড়েছে বই কমেনি। রাসায়নিক থেকে প্রাকৃতিক, সব কিছু করে ফেলেও মুক্তি মিলছে না ছাড় পোকার হাত থেকে। এদিকে একটা রিপোর্টে পড়ে তো হৃদপিন্ড মুখে আসার জোগার! কী রিপোর্ট? একটি আন্তর্জাতির জার্নালে সম্প্রতি একটি গবেষণা পত্র প্রকাশিত হয়েছে। তাতে দাবি করা হয়েছে দীর্ঘদিন যদি কেউ ছাড় পোকার কামড় খেতে থাকে, তাহলে একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শারীরের কর্মক্ষমতা এবং আয়ুও কমে। আসলে রাতের অন্ধকারে আমাদের শরীর আক্রমণ করা এই পোকাটা রক্ত খেতে খেতে এমন কিছু ক্ষতিকর উপাদান শরীরে ঢুকিয়ে দেয় যে নানাবিধ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। যেমন...
১. অ্যালার্জি:
গবেষণায় দেখা গেছে ছারপোকা কামড়ালে কারও কারও মারাত্মক ধরনের অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হয়। সেক্ষেত্রে ব্লাড প্রেসার কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাস কষ্টও বাড়তে শুরু করে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে ঠিক সময়ে যদি চিকিৎসা শুরু করা না হয়, তাহলে কষ্ট মাত্রা ছাড়া আকার নিতে পারে। তাই তো যাদের অ্যালার্জির ধাত রয়েছে তারা এইসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাবধান থাকবেন।
২. সংক্রমণ: একেবারেই ঠিক শুনেছেন, খয়েরি রঙের এই ছোট্ট পোকাটির কারণে মারাত্মক ধরনের সংক্রমণ হতে পারে। আসলে ছারপোকা কামড়ানোর পর ক্ষত স্থানে মারাত্মক চুলকাতে শুরু করে। ফলে চুলকাতে চুলকাতে যদি একবার কেটে যায়, তাহলে সে জায়গা দিয়ে একাধিক ক্ষতিকর জীবাণু শরীরে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়ে যায়। আর এমনটা হওয়া মাত্র শরীরের অন্দরে সংক্রমণ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।
৩. শ্বাস কষ্ট: ঘরের যে জায়গায় ছারপোকারা বাসা বাঁধে, সেখানকার হাওয়া-বাতাসে এত বিষ ছড়িয়ে যায় যে তা যদি একবার শ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে যায় তাহলেই কেলো! এক্ষেত্রে মারাত্মকভাবে শ্বাস কষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, চিকিৎসকদের মতে যারা অ্যাজমা রোগে ভুগছেন, তাদের আশেপাশে যদি এমন পোকাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তাহলে রোগের প্রকোপ আরও বেড়ে যায়।
৪. অ্যাংজাইটি: সরাসরি যোগ নেই বটে, তবু সম্পর্কটাকে উপেক্ষা করাও সম্ভব নয়। বেশ কিছু কেস স্টাডি অনুসারে ছারপোকার প্রতিনিয়ত আক্রমণের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরের অন্দরে বেশ কিছু পরিবর্তন হওয়ার কারণে স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটি লেভেলও বাড়ে। এবার বুঝতে পেরেছেন তো আকারে ছোট হলেও কতটা ক্ষতি করে থাকে এই পোকাটি। তাই তো ছারপোকাকে কখনই হলকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়!
৫. ইনসমনিয়া: সারা রাত কামড় খেলে ঘুম আসবে কীভাবে মশাই! তাই তো ছাড় পোকাদের থেকে দূরে থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। না হলে প্রথমে ঘুম ছুটবে। তারপর তার লেজুড় হয়ে একাধিক রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধবে। কারণ পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ভাঙতে শুরু করে। সেই সঙ্গে প্রায় প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কর্মক্ষমতা কমতে শুরু করবে।
৬.অ্যানিমিয়া: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যারা দীর্ঘদিন ধরে ছাড় পোকার কামড় খেয়ে আসছেন তাদের শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আসলে বেড বাগের মূল খাবারই হল রক্ত। এবার ভাবুন এক সঙ্গে লক্ষাধিক ছাড় পোকা আপনার শরীরের নানা অংশ থেকে লিটার লিটার রক্ত খেয়ে চলেছে। এমনটা হওয়ার পর শরীরে রক্ত বাঁচবে?
৬.অ্যানিমিয়া: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যারা দীর্ঘদিন ধরে ছাড় পোকার কামড় খেয়ে আসছেন তাদের শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আসলে বেড বাগের মূল খাবারই হল রক্ত। এবার ভাবুন এক সঙ্গে লক্ষাধিক ছাড় পোকা আপনার শরীরের নানা অংশ থেকে লিটার লিটার রক্ত খেয়ে চলেছে। এমনটা হওয়ার পর শরীরে রক্ত বাঁচবে?
৭. একাকিত্ব: খেয়াল করে দেখবেন সবারই মনে ছারপোকাদের নিয়ে একটা ভয় রয়েছে। পাছে বাড়িতে-জামাকাপড়ে ছড়িয়ে যায়, তাই কেউই এমন বাড়িতে যেতে চান না যেখানে ছারপোকর রাজত্ব রয়েছে। তাহলেভাবুন, যাদের বাড়িতে এমন পোকা রয়েছে তারা কতটাই না একাকিত্ব ভোগেন, যা ধীরে ধীরে শরীর এবং মনের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে থাকে।
৮.মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ে:বেশ কিছু কেস স্টাডি অনুসারে, ছারপোকার প্রতিনিয়ত আক্রমণের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরের অন্দরে বেশ কিছু পরিবর্তন হওয়ার কারণে মানসিক চাপ এবং উদ্বেগের মাত্রা বাড়ে। তাই আকারে ছোট এই পোকাটি থেকে সাবধানে থাকুন।
ছারপোকার কামড়ে ঘরোয়া প্রতিষেধক
ঘরে
একবার ছারপোকা বাসা বাধঁলে সেটি
দূর করা অনেক কঠিন
হয়ে পরে। কাজেই সুস্থতায়
এটি তাড়ানোর উপায় জানা জরুরি।
ছারপোকার কামড়ের কারণে চুলকানি
থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়
আপনার হাতের কাছেই রয়েছে।
চিকিৎসাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে
জানানো হয়, এই পোকা
কামড়ালে প্রথমে ‘জীবাণুনাশক সাবান’ ও পানি
দিয়ে ধুয়ে তারপর প্রাকৃতিক
উপাদান ব্যবহার করতে হয়। তাহলে
স্বাস্থ্যক্ষতি এড়ানো যায়।
১.কলার খোসা:কলার খোসায় ‘ক্যারোটেনয়েডস’, ‘পলিফেনলস’ ইত্যাদি জৈব-সক্রিয় ভেষজ উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। এর খোসার ভেতরের অংশ কামড়ানো স্থানে ঘষলে জ্বালাপোড়া কিংবা চুলকানির অনভূতি প্রশমিত হয়। পদ্ধতিটি যতবার খুশি অনুসরণ করা যায়।
২.দারুচিনি ও মধু:প্রদাহরোধী উপাদান থাকায় দারুচিনি এবং মধু ত্বকে আর্দ্রতা যোগায়। দুটি উপাদান একত্রে মিশিয়ে ছারপোকার কামড়ের চিকিৎসায় কাজে লাগাতে পারেন। এতেও সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়। দুতিনটেবিল-চামচ দারুচিনির গুঁড়ার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন তিন থেকে চারবার পেস্টটি প্রয়োগ করলে ভালো ফল পাবেন।
৩.টুথপেস্ট:টুথপেস্টে থাকা মেনথল কামড়ানো অংশে ঠাণ্ডা অনুভূতি দেয়, যা চুলকানি ও জ্বালাপোড়া কমায়। কামড়ানো অংশে ১০ মিনিট টুথপেস্ট মাখিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে প্রতিদিন তিন থেকে চারবার পেস্ট মাখালে উপকার পাবেন।
৪.মাউথওয়াশ:মাউথওয়াশে ‘ইথানল’ নামে জীবানুনাশক উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণ দূর করতে সহায়ক। এক্ষেত্রে তুলার বল বানিয়ে তা মাউথওয়াশে ডুবিয়ে কামড়ানো অংশে প্রয়োগ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
৫.লবণ:ছারপোকার কামড় থেকে হওয়া র্যাশ ও প্রদাহ সারাতে সাহায্য করে প্রাকৃতিক ব্যাক্টেরিয়ানাশক লবণ। কামড়ানোর জায়গায় লবণ ঘষলে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া থেকে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে ভালো ফল পেতে দিনে তিনবার লবণ লাগাতে পারেন।
ছারপোকা তাড়াতে ঘরোয়া উপায়:
ছারপোকা, রক্তচোষা এই পতঙ্গটি সত্যিই খুব বিরক্তিকর। ঘরে এটির আক্রমণ ঘটলে অশান্তির শেষ থাকে না। কারণ ছারপোকা রক্ত খেয়ে আপনার রাতের ঘুমকে হারাম করে।ছারপোকা, রক্তচোষা এই পতঙ্গটি সত্যিই খুব বিরক্তিকর। ঘরে এটির আক্রমণ ঘটলে অশান্তির শেষ থাকে না। কারণ ছারপোকা রক্ত খেয়ে আপনার রাতের ঘুমকে হারাম করে।
ছারপোকা উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট অন্যান্য পোষকের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে। পোকাটি বিছানা, মশারি, বালিশের এক প্রান্তে বাসা বাঁধলেও ট্রেন কিংবা বাসের আসনেও এদের দেখা মেলে। বিছানার পোকা হলেও এর অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে – ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র।
পুরোপুরি নিশাচর না হলেও ছারপোকা সাধারণত রাতেই অধিক সক্রিয় থাকে এবং মানুষের অগোচরে রক্ত চুষে নেয়। মশার মতো ছোট্ট কামড় বসিয়ে এরা স্থান ত্যাগ করে। তাই বলে যে দিনের বেলায় কামড়াবে না এমন না।
তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক জ্বালাতনকারী-অস্বস্তিকর এই পোকাটিকে কীভাবে সহজেই ঘর থেকে তাড়ানো যায়।
১. ছারপোকা তাড়াতে ন্যাপথলিন: ঘরের ছারপোকা তাড়াতে ন্যাপথলিন খুবই কার্যকারী। পোকাটি তাড়াতে অন্তত মাসে দু’বার ন্যাপথলিন গুঁড়ো করে বিছানাসহ উপদ্রবপ্রবণ স্থানে ছিটিয়ে দিয়ে রাখুন। দেখবেন ঘরে ছারপোকা হবে না।
২.কেরোসিনের প্রলেপ: ছারপোকা তাড়াতে মাঝে মাঝে আসবাবপত্রে কেরোসিনের প্রলেপ দিন। এতে ছারপোকা সহজেই পালাবে।
৩.ছারপোকা তাড়াতে ঘর পরিষ্কার করুন: সপ্তাহে একবার হলেও সারা
ঘর ভালো করে পরিষ্কার
করুন। ছারপোকা মোটামুটি ১১৩ ডিগ্রি তাপমাত্রাতে
মারা যায়। ঘরে ছারপোকার
আধিক্য বেশি হলে বিছানার
চাদর, বালিশের কভার, কাঁথা ও
ঘরের ছারপোকা আক্রান্ত জায়গাগুলোর কাপড় বেশি তাপে
সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন।
ছারপোকা এতে মারা যাবে।৫আসবাবাপত্র
ও লেপ তোশক পরিষ্কার
রাখার সাথে সাথে নিয়মিত
রোদে দিন। এতে করে
ছারপোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার
সাথে সাথেই ছারপোকা থাকলে
সেগুলো মারা যাবে।
৪.ছারপোকা তাড়াতে স্প্রে করুন: ঘরের যে স্থানে ছারপোকার
বাস সেখানে ল্যাভেন্ডার অয়েল
স্প্রে করুন। দুই থেকে
তিন দিন এভাবে স্প্রে
করার ফলে ছারপোকা আপনার
ঘর ছেড়ে পালাবে।৫.ছারপোকা তাড়াতে আসবাবপত্র ও লেপ-তোশক: আসবাবপত্র ও লেপ-তোশক পরিষ্কার রাখার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত রোদে দিন। এতে করে ছারপোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ই ছারপোকা থাকলে সেগুলো মারা যাবে।
৬.অ্যালকোহল: আপনার ঘরের ছারপোকা তাড়াতে অ্যালকোহল ব্যবহার করতে পারেন। ছারপোকাপ্রবণ জায়গায় সামান্য অ্যালকোহল স্প্রে করে দিন দেখেবেন ছারপোকা মরে যাবে।
৭.ছারপোকা তাড়াতে ডিটারজেন্ট: এক লিটার পানিতে
ডিটারজেন্ট যেমন সার্ফ এক্সেল
ঘন করে মিশিয়ে স্প্রে
করুন। এ উপায়ে স্প্রে
করার ফলে ছারপোকা সহজেই
মারা যাবে।
৮.ছারপোকা তাড়াতেভ্যাকুয়াম: বিছানাসহ অন্যান্য জায়গা থেকে ছারপোকা
তাড়াতে সারা ঘরে ভালো
করে ভ্যাকুয়াম করুন। ভ্যাকুয়াম করার
সময় খেয়াল রাখুন যাতে
ঘরের মেঝেও বাদ না
পড়ে। এতে করে আপনার
ঘরে ছারপোকার আক্রমণ অনেকটাই কমে
যাবে।
৯.ছারপোকা তাড়াতে ল্যাভেন্ডার অয়েল: ঘরের যে স্থানে
ছারপোকার বাস সেখানে ল্যাভেন্ডার
অয়েল স্প্রে করুন। দুই
থেকে তিনদিন এভাবে স্প্রে
করার ফলে ছারপোকা আপনার
ঘর ছেড়ে পালাবে।
ছারপোকার
হাত থেরে রেহাই পেতে
আপনার বিছানা দেয়াল থেকে
দূরে স্থাপন করুন। শোয়ার
আগে ও পরে বিছানা
ভালো করে ঝেড়ে ফেলুন।
ছারপোকা
মোটামুটি ১১৩ ডিগ্রি তাপমাত্রাতে
মারা যায়। ঘরে ছারপোকার
আধিক্য বেশি হলে বিছানার
চাদর, বালিশের কভার, কাঁথা ও
ঘরের ছারপোকা আক্রান্ত জায়গাগুলোর কাপড় বেশি তাপে
সেদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন।
ছারপোকা এতে মারা যাবে।
সম্পূর্ণ ভাবে দুর করতে চিটাগাং পেস্ট কন্ট্রোল-এ যোগাযোগ করতে পারেন। এতকিছু করেও যদি সফল না হন অথবা আপনার সময় না থাকে তবে যোগাযোগ করতে পারেন চিটাগাং পেস্ট কন্ট্রোল এর সাথে অথবা ০১৬৩৪৯০২২৩৫ নম্বরে।
বিঃদ্রঃ-ছারপোকার হাত থেরে রেহাই পেতে আপনার বিছানা দেয়াল থেকে দূরে স্থাপন করুন। শোয়ার আগে ও পরে বিছানা ভালো করে ঝেড়ে ফেলুন।
Comments
Post a Comment